
গৌরনদীর নব্য গডফাদার বিএনপি নেতা মুকুল খান?
নতুন গডফাদার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান খান মুকুল ওরফে ভিপি মুকুল খান।
স্থানীয় নেতা কর্মি সুত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর থেকে তার ক্ষমতার প্রভাব এতটাই বেড়ে যায় যে তিনি একের পর এক দখলবাজি শুরু করেন। ডিস অফিস, বিড়ির কারখানা, সমবায় বেকারি, বাজার কমিটি, মসজিদ কমিটি এমনকি খাল দখল করে অফিসের নামে টর্চার সেল তৈরি করেন। মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রন নেন মুকুল খান !
দক্ষিনাঞ্চলের মাদক সম্রাট হিরা মাঝি ও মানিক মাঝির কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ ও বেশ কয়েকটি মটরসাইকেল নেয়ার গুঞ্জন ওঠে তার বিরুদ্ধে । হিরা মাঝি, মানিক মাঝির পক্ষ নিয়ে কটকস্থলে মেসার্স আরিফ ফিলিং স্টেশন দখলের জন্য মালিক ও ব্যবস্থাপকের কাছে ফোনে হুমকি দেন। নেপথ্যে থেকে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে দুইবার ফিলিং স্টেশনে মব সৃষ্টি করে সেটি বন্ধ করে দেন গুঞ্জণ ওঠে । দলের ও নিজের প্রভাব খাটিয়ে থানার ওসি দারোগাদের তার কথামতো কাজ করান !! এভাবেই নিজেকে গৌরনদীর নতুন গডফাদার হিসেবে প্রকাশ্যে পরিচয় পেতে শুরু করেছেন।
দ: পালরদী খালপাড়ে নিজের বাড়ির সামনে খাল দখল করে একটি আধাপাকা ঘর নির্মাণ করে প্রথমে মুরগির ফার্ম চালু করেন। বর্তমানে সেই দখলকৃত ঘরটি বিএনপির অফিস ও টর্চার সেল হিসেবে ব্যবহার করছেন। এখান থেকেই তিনি দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অসৎ কর্মকাণ্ডের ফন্দি আঁটছেন।
এতসব কর্মকাণ্ডের পরও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বরিশাল জেলা উত্তরের সদস্য সচিব পদে বহাল রয়েছেন তিনি।

সুত্র জানায়, মুকুল খানের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দৈনিক যুগান্তর ও এনটিভির বরিশাল ব্যুরো প্রধান আকতার ফারুক শাহিন যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশ করলে, মুকুল খান তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করান। সাংবাদিকরা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তাদের হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন।
সূত্রে আরও জানা যায়, মুকুল খান তার লোক দিয়ে আরিফ ফিলিং স্টেশনের মালিক হারুন অর রশিদ বেপারীকে ফোনে কাগজপত্র নিয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে বলেন। হারুন বিষয়টি তার মেয়ে ও স্টেশনের পরিচালক পপিকে জানান। পরে পপি মুকুল খানকে ফোন করলে তিনি স্পষ্ট হুমকি দিয়ে বলেন—কাগজপত্রসহ দেখা না করলে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরিফ ফিলিং স্টেশন তালা মেরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। পপি এই ফোনালাপের রেকর্ড সংরক্ষণ করেন, যা পরে ভাইরাল হয়।
এ ঘটনার পর সাংবাদিক তুহিনকে হুমকি দেওয়া হয় এবং ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নির্দেশ দেওয়া হয় তাকে খুঁজে বের করে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার জন্য।
এ বিষয়ে মুকুল খানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
বি:দ্র: নিজ দলের লোকদের বানানো ছবি , ফেসবুক থেকে সংগ্রহ




