
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের শহীদদের ত্যাগ থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার আহ্বান
নাসির উদ্দিন সৈকতঃ
বাংলাদেশের ইতিহাসে গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণের প্রতীক “জুলাই অভ্যুত্থান ” আজ আমরা রমজানপুর জুলাই যোদ্ধা সিফাত হাওলাদার নিয়ে একটি প্রতিবেদনে লিখবঃ
এ সময় প্রয়াত জুলাইয়ে প্রয়াত শহীদ মোঃ সিফাত হাওলাদারের পরিবারের পক্ষ থেকে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। তার পরিবারে ছোট একটি ভাই এবং তার মা বাবা রয়েছেন। রমজান পুরে একটি দারিদ্র পরিবারের সিফাত হাওলাদার জন্ম গ্রহন করেন, ছোট থেকে অন্যায় দেখলেই সে প্রতিবাদ করা তার একটি নেশা মতো ঝাপিয়ে পড়ত।জুলাই যোদ্ধা শহীদ সিফাত হাওলাদের পিতা বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থান দিবস শুধু একটি দিন নয়, এটি গণতন্ত্র, দেশপ্রেম ও ন্যায়ের জন্য আত্মত্যাগের প্রতীক। শহীদদের রক্তে অর্জিত এই গণতন্ত্র রক্ষায় আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
প্রয়াত মোঃ সিফাত হাওলাদার ছিলেন রমজানপুর ইউনিয়নের চরপালরদী গ্রামের একজন নিবেদিতপ্রাণ । তিনি জীবদ্দশায় এলাকার মানুষের সহায়তা, সামাজিক ঐক্য ও মানবকল্যাণমূলক নানা কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেছিলেন। তাঁর পরিবার আজও তাঁর সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজে সেবামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
সেই সময়ের তরুণ ছাত্র-জনতা এবং রাজনৈতিক কর্মীরা দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যে আত্মত্যাগ করেছেন, তা প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বক্তারা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশপ্রেম ও ন্যায়ের সংগ্রামে তাদের পথ অনুসরণের আহ্বান জানান।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় শিক্ষক, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।
দোয়া মাহফিল শেষে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তরুণ প্রজন্মের “জুলাইয়ের শহীদদের ত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। তাদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করাই হবে প্রকৃত শ্রদ্ধা।”
চরপালরদী গ্রামে আয়োজিত এই শ্রদ্ধানুষ্ঠানটি ছিল পুরো কালকিনি উপজেলাজুড়ে আলোচিত একটি উদ্যোগ, যা গ্রামের তরুণ সমাজের মাঝে গণতন্ত্র, দেশপ্রেম ও ঐক্যের নতুন চেতনা সৃষ্টি করেছে।




